অতৃপ্ত আত্মার প্রতিশোধ - ভৌতিক ভূতের গল্প । শেষ পর্ব

 

অতৃপ্ত আত্মার প্রতিশোধ - ভৌতিক ভূতের গল্প । শেষ পর্ব

অতৃপ্ত আত্মার প্রতিশোধ 

শেষ পর্ব



তাসফিয়াঃ কথা দিলাম এই কথাটা মৃত্যুর আগে পযন্ত কাউকে বলবো না..... 

সাঈদঃ তখনি একটা গাড়ি আমাদের দিকে আসছে মনে হয় তারা বুঝতে পেরেছিলো আমাদের গাড়িটা রাস্তায় নষ্ট হয়ে গেছে... 

তার পর গাড়িতে বসে বাসায় চলে আসলাম 

অপর দিকে 

দিয়ার বাবা কী হলে কাজ শেষ হয়েছে 

তান্ত্রিকঃ ঘোর বিপদ সে কোনো সাধারণ মানুষ নয় একজন অসাধারণ মানুষ.. 

.

দিয়ার বাবাঃ আপনি কী পাগল হয়ে গেছেন আর কত টাকা লাগবে বলুন আমি দিতে প্রস্তুত আমাকে প্লিজ বাচিয়ে নিন....

.

.

.

তান্ত্রিকঃ আমি পক্ষে সম্ভব না আমি অকালে মরতে চাই না.... 

দিয়ার বাবাঃ আপনি কী বলছেন এসব.... 

হঠাৎ তি দিয়াকে যে বোতলে বন্দি করা হয়েছিলো সেটা ফেটে চুরমাচার হয়ে গেলো 

মুক্তি পেলো দিয়ার আত্মা কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব 

পিছনে তাকাতেই তারা অবাক তাদের পিছনে একজন মানুষ দাড়িয়ে আছে অন্ধকারে তার মুখ টা দেখা যাচ্ছিলো না 

। 

মুক্তি চাই তোর এই আত্মার হাত থেকে

। 

দিয়ার বাবাঃ হ্যা আপনি পারবেন আমাকে এই আত্মার হাত থেকে বাচাতে তার বদলে যত টাকা লাগে তত টাকাই দিবো 

। 

। 

হা হা হা 

তোর কাছে টাকাই সব তাই না আমি বিনা পয়সাই তোকে মুক্তি দিবো... 

দিয়ার বাবাঃ সত্যি 

হ্যা তখনি কেউ একজন দিয়ার বাবার বুকে একটা ধারালো ছুরি বসিয়ে দিলো কিন্তু কে সে 

আকাশ আবারো কালো হয়ে গেছে চারিদিকে প্রচন্ড বাতাস উঠেছে মেঘের আলোয় একজন অচেনা বালকের মুখ দেখতে পেলেন 

কে এই বালক কেনো মারলো সে আমায়.... 

দিয়াঃ আমার প্রতিশোধ পুরনো হলো কিন্তু আমার অসমাপ্ত প্রতিশোধ টা সম্পুর্ন করলো কে.... 

তখনি যাকে দেখলাম তা অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছিলো কিন্তু না এটাই বাস্তব সে আর কেউ নয় রাফি... 

রাফিঃ দিয়া আমি তোমাকে ছাড়া বাচতে পারবো না আমি আসছি তোমার কাছে... 

বলেই নিজের পেটে নিজেই ছুরি ডুকিয়ে দিলো মাটিতে পড়ে রইলো তার রক্তাক্ত শরীরটা

দিয়াঃ রাফি তুমি এটা কী করলে 

কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছিলো পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেছে রাফি 

আজ থেকে রাফি বলতে কেউ বেচে রইলো না 

রাফি আর দিয়ার মিলন কী হবে ওপারে... 

।৷ 

।৷ 

সাঈদঃ আকাশের অবস্থা ভালো নেই আমাদের তারাতাড়ি বাসর ঘরে ডুকিয়ে দিলো 

হঠাৎ তি রুমের সমস্ত লাইট বন্ধ তার মানে দিয়া এসেছে কী 

। 

তখনি 

দিয়াঃ আমার 

আমার অসমাপ্ত প্রতিশোধ আজ সম্পুর্ন হয়ে গেলো আজ আমি তাহলে বিদাই নেই..

এই কয়েক দিনে অনেকটা ঘনিষ্ঠ হতে পেরেছিলাম তোমার বিদাই আমি চলে যাচ্ছি আমার কথা মনে পড়বে তো.

সাঈদঃ কেনো এসেছিলে যদি চলে যাবে কেনোই বা জরালে আমায় এক অদৃশ্য মায়ায় ( চোখ বেয়ে পানি পড়তে লাগলো) 



দিয়াঃ আমার সময় হয়ে গেছে যাওয়ার সব বিধাতার লিখন ভালো থেকো সুখে থেকো তখনি বিলিন হয়ে গেলো দিয়ার আত্মাটা 

তাসফিয়াঃ আমি জানি দিয়া চলে গেছে তাই তোমার মন ভালো নেই আমাদের জীবনটা ঠিক এমনি... 

সাঈদঃ জানতাম কিন্তু এই কিছু দিনে তার মায়ায়ই জরিয়ে পড়েছিলাম তাকে সাহায্য করতে পারলাম না 

তাসফিয়াঃ হয়তো এমনটাই তোমার কপালে লিখা ছিলো. 

সাঈদঃ হুম 

তাসফিয়াঃ আচ্ছা আজ না আমাদের বাসর রাত তা তুমি কী এভাবেই সময়টা নষ্ট করবে 

তুমি জানো না রাতটা সারা জীবনে একবার আসে 

। 

সাঈদঃ হুম কিন্তু তুমি চাইলে রোজ রাতে বাসর রাত করতে পারি😇😇

তাসফিয়াঃ হুম এবার তাহলে আমার পাওয়নাটা দাও 

সাঈদঃ এ্যা আগে আমি বিয়ের আগের কত গুলো কিস জামা হয়েছে তা নিশ্চয়ই খেয়াল আছে 

।৷ 

তাসফিয়াঃ কখন আমার মনে নেই 

সাঈদঃ মিথ্যা বলবা না এই ধরো পাচ দশ হাজার 

তাসফিয়াঃ এ্যা বলেই হলো ওইসব তো কথার কথা 

সাঈদঃ তাহলে দিবে না 

।৷

তাসফিয়াঃ না 

তার পরে একটা টান মেরে বুকের সাথে জরিয়ে ধরলাম 

।৷ 

পরে কী হলো সেটা বলবো এটা ইতিহাস হয়েই থাক .. 

........সমাপ্ত............

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url