Prince Of Vampire - ভুতের গল্প । পর্বঃ ০৬

 

Prince Of Vampire - ভুতের গল্প । পর্বঃ ০৬

Prince Of Vampire💕

লেখিকাঃ Sumaiya Moni

পর্বঃ ০৬


প্রিন্স অভয়: হ্যাঁ! এটা প্রিয়ার জুতো। জুতো থেকে প্রিয়ার স্মেইল আসছে। তার মানে প্রিয়া আসে পাশেই কোথাও আছে। 

অভয় উঠে দাঁড়িয়ে কলেজের জঙ্গলের দিকে হাঁটতে লাগলো।

জঙ্গলের পাশেই ছোট্ট একটা সরু রাস্তা আছে। সেই রাস্তা দিয়ে কিছু দূর হাঁটার পর হঠাৎ অভয়ের চোখ পড়ে ব্লু রঙের ড্রেস পড়া একটি মেয়ের উপর। মেয়েটির হাতে Whisky এর বোতল। মেয়েটি নেশা অবস্থায় বাঁকা ভাবে হাঁটছে। অভয় দেরি না করে ঝড়ের বেগে দৌড়ে মেয়েটির সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। 

মেয়েটি আর কেউ নয় প্রিয়া । অভয় প্রিয়ার দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে আছে । অভয় কে এত ফাস্ট দৌড়ে ওর সামনে আসতে দেখে প্রিয়া ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করে।

প্রিয়া: আরে অভয় রাজ...তুমি এত ফাস্ট এখানে আসলে কী করে? তোমার কী পাখা আছে নাকি?........[ মাতাল ও কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বললো ]

অভয় প্রিয়ার কথার উওর দিচ্ছে না। একা একা জঙ্গলে আসার কারনে প্রিয়ার উপর প্রচন্ড রাগ হচ্ছে অভয়ের । অভয় এখনো তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে প্রিয়ার দিকে । 

প্রিয়া: তুমি এমন ভুতুম প্যাচার মতো মুখ করে আছো কেন অভয়? তোমাকে এভাবে ভালো লাগে না। একটু হাসো অভয় জি.....[ ন্যাকা কন্ঠে বলে অভয়ের ঠোঁটে হাত দিতে নিলে অভয় প্রিয়ার হাত ধরে ফেলে ]

প্রিন্স অভয়: তোমাকে জঙ্গলে কে আসতে বলেছে প্রিয়া । এখানে কেনো এসেছ?.......[ ধমক দিয়ে বললো ]

প্রিয়া: এ্যা এ্যা.....তুমি আমাকে ধমক দিয়েছ? তুমি ভালো না তুমি পঁচা অভয় । অনেক পঁচা তুমি।........[ বলেই ভ্যা ভ্যা করে কাঁদতে লাগলো ]

প্রিন্স অভয়: শিট..কী জ্বালায় পড়লাম ।....[ মনে মনে ] আচ্ছা কান্না থামাও। আর ধমক দেবো না। এখন আমার সাথে চল।

প্রিয়া: আমি যাবো না তোমার সাথে । তুমি পঁচা । ......[ ঠোঁট উলটিয়ে বললো ]

প্রিন্স অভয়: প্রিয়া পাগলামি কর না । আসো আমার সাথে। 

প্রিয়া: আমি যাবো না বলছি না। 

প্রিন্স অভয়: প্রিয়া....এখানে থাকা তোমার নিরাপদ হবে না। আমার সাথে চল ।

বলেই প্রিয়ার হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে নিলে প্রিয়া অভয়ের হাত ছাড়িয়ে ন্যায়। 

প্রিয়া: যাবো না আমি । আগে আমাকে স্যরি বলতে হবে। তারপর আমি যাবো।

অভয়ের রাগ হচ্ছে, পিছন দিক ফিরে রাগ কন্ট্রোল করছে। 

প্রিন্স অভয়: ওকে....স্যরি!.......[ গম্ভীর কন্ঠে ]

প্রিয়া: এভাবে না সুন্দর করে বলতে হবে।

প্রিন্স অভয়: আমি সুন্দর করে বলতে পারি না।.....[ রেগে ]

প্রিয়া : আমি শিখিয়ে দিচ্ছি । এই নেও এই জুস এর বোতলটা ধরো।.........[ বলেই whisky এর বোতলটা অভয়ের হাতে দিল ]

অভয় বোতলটা ঢিলা মেরে দূরে ফেলে দিল। প্রিয়া এটা দেখে বাচ্চা দের মতো কান্না করে বলতে লাগলো ।

প্রিয়া: তুমি আমার জুসের বোতল ফেলে দিলে । তুমি ভালো না অভয়। তুমি পঁচা ।

প্রিন্স অভয়: ওহ! কিসের মধ্যে পড়লাম। আচ্ছা আচ্ছা প্রিয়া কান্না করে না । আমি তোমাকে এর চেয়ে আরো ভালো জুস কিনে দেবো। এখন কান্না থামাও। 

প্রিয়া: না তুমি পঁচা.... তোমার দেওয়া জুস আমি খাবো না। ..........[ বলেই কান্না করতে লাগলো ]

প্রিন্স অভয়: ওকে ‌ওকে, আমি পঁচা... এই দেখো আমি আমার কান ধরলাম। এবার প্লিজ কান্না থামাও। ..........[ ওর কানে হাত দিয়ে বললো ]

প্রিয়া: সত্যি তুমি স্যরি?.......[ হিঁচকি টেনে বললো ]

প্রিন্স অভয়: হ্যাঁ! আমি সত্যিই স্যরি!

প্রিয়া: ঠিক আছে,এখন তাহলে আমাকে কোলে নেও........[ হেসে দু হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললো ]

প্রিয়া: কিহ!.......[ জোরে বলে‌ উঠল ]

প্রিয়া: তুমি আবার আমাকে ধমক দিচ্ছ। তুমি ভালো না‌ পঁচা.......... [ বাচ্চা ফেস করে বললো ]

প্রিন্স অভয়: ওহ! গড....আচ্ছা আচ্ছা ..আমি তোমাকে কোলে নিচ্ছি। 

অভয় প্রিয়া কে পাজরা কোলে নিল। প্রিয়া ‌ওর হাত দিয়ে অভয়ের গলা জড়িয়ে ধরল। অভয় প্রিয়ার রক্তের স্মেইল পাচ্ছে। অভয়ের নেশা জাগছে প্রিয়ার রক্ত খাবার জন্য। কিন্তু অভয় কন্ট্রোল করছে নিজেকে। প্রিয়া অভয়ের সাথে বক বক করছে। অভয় প্রিয়ার কথা কানে নিচ্ছে না। অভয় নিজেকে কন্ট্রোল করতে ব্যস্ত । কিছুক্ষন পর প্রিয়া কথা বলতে বলতে ঘুমিয়ে যায় অভয়ের কোলে। অভয় এটা দেখে ঝড়ের বেগে দৌড়াতে লাগলো। অভয় প্রিয়া কে ওর বাসায় নিয়ে আসে । অভয়ের রুমের বিছানায় প্রিয়া কে শুইয়ে দিয়ে গায়ে কাঁথা দিয়ে দেয়। প্রিয়ার ফোন থেকে টিনার নাম্বার নিয়ে অভয় ওর পকেট থেকে ফোন বের করে টিনা কে কল দেয়। 

ক্রিং....ক্রিং...ক্রিং...

টিনা: হ্যালো! কে?

প্রিন্স অভয়: অভয় বলছি। প্রিয়া আমার কাছে আছে। 

টিনা: প্রিয়া আপনার কাছে মানে?

প্রিন্স অভয়: প্রিয়া অতিরিক্ত ড্রিঙ্ক করেছে। ঠিক মতো হাঁটতে পারছিল না । তাই আমি ওকে আমার বাসায় নিয়ে এসেছি। আমি প্রিয়া কে ওদের বাসায় দিয়ে আসতে চেয়েছিলাম কিন্ত পথে প্রিয়া ঘুমিয়ে যায়। তাই আমি ওকে আমার বাসায় নিয়ে আসি। 

টিনা: প্রিয়াকে ওর বাসায় দিয়ে আসলেন না কেন?

 প্রিন্স অভয়: এতো রাতে আমি প্রিয়াকে ওর বাসায় ঘুম অবস্থায় দিয়ে আসলে প্রিয়ার ড্যাড মাইন্ড করতে পারে। এই টুকু কমন সেন্স তোমার মাথায় নেই নাকি ।...........[ কিছুটা বিরক্তি নিয়ে বললো ]

টিনা: ও আচ্ছা! এখন কী করতে হবে আমাকে?

প্রিন্স অভয়: প্রিয়ার ড্যাড কে বলে দেও..প্রিয়া তোমার কাছে আছে । টায়ার্ড তাই ঘুমিয়ে গেছে । সকালে বাসায় যাবে।

টিনা: ওকে..বাট প্রিয়া আপনার কাছে আছে........।

প্রিন্স অভয়: টেনশন করার দরকার নেই। প্রিয়া সেভ থাকবে আমার কাছে। 

টিনা: আচ্ছা ঠিক আছে ।

টু...টু...টুু....

অভয় ফোন কেঁটে দিল । টিনা প্রিয়ার ড্যাড কে ফোন দিয়ে প্রিয়া ওদের বাসায় থাকবে‌ কথাটা বলে দিয়েছে ।

অভয় সোফায় বসে প্রিয়ার দিয়ে তাকিয়ে ব্লাড খাচ্ছে। প্রিয়ার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে অভয়ের ঘোর লেগে আসছে। অভয় ব্লাডের গ্লাস টা পাশের টেবিলের উপর রেখে প্রিয়ার সামনে এসে দাঁড়াল। অভয় প্রিয়ার গোলাপি ঠোঁটের দিকে নেশা ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে । অভয় আস্তে আস্তে প্রিয়ার উপর ঝুকে দু পাশে হাত দিয়ে প্রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে । অভয়কে দেখে মনে হচ্ছে অভয় কোন ঘোরের মধ্যে চলে গেছে। অভয় আস্তে আস্তে প্রিয়ার ঠোঁটের কাছে ওর ঠোঁট নিতে লাগলো। প্রিয়ার গরম নিশ্বাস অভয়ের চেহারার উপর পড়ছে। অভয় যেনো আরো পাগল হয়ে যাচ্ছে । প্রিয়ার ঠোঁট থেকে অভয়ের ঠোঁটের মাঝে দু ইঞ্চি ফাঁক। অভয় প্রিয়ার ঠোঁটের সাথে ওর ঠোঁট মিশাতে যাবে ঠিক সেই সময় অভয় প্রিয়ার কাছ থেকে সরে আসে। 

সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে ভাবতে থাকে এটা ও কী করতে যাচ্ছিল। মনে মনে নিজের উপর রাগ হচ্ছে ভিশন । 

প্রিন্স অভয়: প্রিয়া কে দেখলে আমি নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না। কোন এক ঘোরের মধ্যে চলে যাই। না আমি তো প্রিয়া কে ঘৃনা করি। কেনো বার বার ওর কাছে যায়? ......

রাগ নিয়ে অভয় ওর রুম থেকে বেরিয়ে গেল । 

জঙ্গলে....

জ্যাক: এসো বেবি? 

মেয়েটি: আমাকে জঙ্গলে কোথায় নিয়ে যাচ্ছো জ্যাক?

জ্যাক: রোমান্স করতে।........[ মেয়েটির কানে কানে বললো ]

মেয়েটি: এটা তুমি কী বল জ্যাক?.......[ লজ্জা পেয়ে বললো ]

জ্যাক: ঠিকিই বলেছি বেবি.....আসো আমার কাছে।

মেয়েটি কে জড়িয়ে ধরে গলায় কিস করতে লাগলো জ্যাক। মেয়েটি জ্যাকের স্পর্শ পেয়ে বারে বারে কেঁপে উঠছে। জ্যাক মেয়েটির দু হাত একটা গাছের সাথে চেপে ধরে । মেয়েটি কিছুটা অবাক হয় জ্যাকের এমন কান্ডে। জ্যাক এবার ওর আসল রূপ ধারন করতে লাগলো। গায়ের পশম বড় বড় হতে লাগলো। মুখ আগের তুলনায় লম্বা আঁকার ধারন করল। হাতের নখ বেশ বড় বড় হয়ে গেছে। চোখের মনি সবুজ হয়ে গেছে । মেয়েটি এবার জ্যাক এর এমন ভয়ংকর চেহারা দেখে জোরে চিৎকার দিয়ে ওঠল। জ্যাক মেয়েটির উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো।  মেয়েটিকে দু টুকরো করে ফেললো জ্যাক। মেয়েটির গায়ের মাংশ ছিড়ে ছিড়ে খেতে লাগলো । মনে হচ্ছে অনেক দিন পর্যন্ত খুদার্থ আছে জ্যাক ।

সকালে.....

প্রিয়ার ঘুম থেকে উঠে নিজেকে বিছানায় আবিষ্কার করে। উঠে মাথায় হাত দিয়ে চেপে ধরে । মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করছে। কাল রাতের কথা ওর ঠিক মনে নেই। হঠাৎ ওর খেয়াল আসে এটা ওদের বাসা না। প্রিয়া অন্য কারো বাসায় আছে।  গায়ের উপর থেকে কাঁথা সরিয়ে বিছানা থেকে নেমে সিঁড়ির সামনে এসে দাঁড়াল। বাড়িটা বেশ বড়। জীনিস পএ বেশ পরি পাটি করে রাখা। মনে হচ্ছে বাড়ির মালিক রা অগোছলো পছন্দ করে না। 

প্রিয়া: বাড়িতে কেউ নেই নাকি? কাউ কেই তো দেখছি না?

রাহিল পিছন থেকে হাতে দুই কফির মগ নিয়ে আসতে আসতে বললো।

রাহিল: গুড মরনিং প্রিয়া! ঘুম কেমন হল?

প্রিয়া চমকে উঠে পিছনে তাকিয়ে দেখে রাহিল। 

প্রিয়া: তার মানে এটা কী রাহিল আর অভয় দের বাড়ি?............[ মনে মনে ]

রাহিল: হ্যাঁ! তুমি ঠিক ধরেছ। এটা আমার আর অভয়ের বাড়ি।

প্রিয়া: আমার মনে মনে বলা কথা আপনি কী করে শুনলেন?...........[ ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞসা করলো ]

রাহিল : আরে তোমার চেহারা দেখে বুঝা যায় তুমি কী বলতে চাইছ, বা কী ভাবছ?

প্রিয়া: তাই নাকি? তো বলুন আমি এখন কী ভাবছি বা বলছি মনে মনে.........[ গাধা কোথাকার-মনে মনে বললো ] 

রাহিল প্রিয়ার মনে মনে বলা কথা শুনে ফেলে। এখন রাহিল ফেসে গেছে। 

রাহিল: প্রিয়া তো দেখছি অনেক চালাক মনে মনে আমাকে গাধা বললো.....[ মনে মনে ]

প্রিয়া: কী হলো? বলছেন না কেন?

রাহিল : আরে সেটা পরে বলবো আগে কফি নেও । কফি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে । 

কফির মগ প্রিয়ার সামনে এগিয়ে দিয়ে বললো । 

প্রিয়া: আপনি যে একটা বড় ধরনের গাধা সেটা বুঝতে পেরেছি আমি।.........[ মনে মনে ]

রাহিল কফি খেতে নিয়ে প্রিয়ার মনে মনে বলা কথা শুনে কফি মুখে নেওয়া অবস্থায় ভিষম খায়। 

প্রিয়া: আরে আরে কী হলো? বিষম খেলেন বুঝি?

রাহিল: না না আমি ঠিক আছি। 

প্রিয়া: মনে হয় কেউ আপনাকে গালি দিয়েছে। 

রাহিল প্রিয়ার কথা শুনে করুন চোখে প্রিয়ার দিকে তাকায়। এর মধ্যে অভয় এসে দেখে রাহিলের সাথে প্রিয়া দাঁড়িয়ে কথা বলছে। অভয় দ্রুত পায়ে হেঁটে ওদের কাছে এলো। 

প্রিয়া অভয় কে দেখে অভয়ের দিকে তাকাল। 

প্রিন্স অভয়: প্রিয়া চলো তোমাকে তোমার বাসায় পৌঁছে দিয়ে আসি..........[ গম্ভীর কন্ঠে বললো ]

রাহিল: আরে দাঁড়া না প্রিয়ার জন্য কফি বানিয়ে নিয়ে এসেছি। কফিটা তো খেতে দে।

প্রিয়া: ভাইয়া আপনি গাধার মতো কথা বলা বন্ধ করুন। আমি ফ্রেশ না হয়ে কফি পান করি না। 

রাহিল: ওহ! তো এই কারনে আমাকে তখন গাধা বলেছে প্রিয়া .....[ মনে মনে ]

প্রিন্স অভয়: প্রিয়া ঠিকি বলেছে। তুই আসলেই একটা গাধা।..........[ মনে মনে ]

রাহিল: আমি গাধা হলে তুই কী?......[ মনে মনে ]

প্রিন্স অভয়: আমি কিছুই না। তুই গাধার মতো কাজ করিস তাই তোকে গাধা বলে।.........[ মনে মনে ]

প্রিয়া রাহিল ও অভয়ের দিকে তাকিয়ে দেখে দুজন দু জনার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে । মনে হচ্ছে চোখে চোখ রেখে কোন বিষয় পরামর্শ করছে।

প্রিয়া: এক মিনিট এক মিনিট..... আপনারা এমন করে দু জন দু জনার দিকে তাকিয়ে আছেন কেন? আপনাদের মধ্যে কী চলছে ?

প্রিন্স অভয়: কিচ্ছু চলছে না। তাড়াতারি ফ্রেশ হয়ে নিচে আসো।...........[ বলেই অভয় নিচে চলে যায় ]

প্রিয়া ও রাহিল অভয়ের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে আছে।

প্রিয়া: গাধা ভাইয়া.... মানে রাহিল ভাইয়া আপনার বন্ধুটা এমন কেনো? ভালো করে কথা বলতে পারে না নাকি?

রাহিল: অভয় ছোট্ট কাল থেকেই এমন, ত্যাড়া টাইপের। 

প্রিয়া: ওহ! আচ্ছা ।

রাহিল: তুমি ফ্রেশ হয়ে নিচে আসো,আমি যাই।

প্রিয়া: হুম । 

রাহিল নিচে চলে গেল। প্রিয়া ফ্রেশ হয়ে ওদের সাথে ব্রেকফাস্ট করে ন্যায়। প্রিয়া কে ওর বাসায় পৌঁছে দেয় অভয়। এদিকে কাল রাতে নেহা নামের মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে এই খবর প্রিয়া দের ভার্সিটিতে ছড়িয়ে পড়ে। অভয় ও রাহিলের কানে এই খবর আসে। 

অভয় ও রাহিল ভালো করে বুঝতে পারে এতে জ্যাক,স্যাম,এলিনার হাত আছে। 

অভয়,রাহিল জঙ্গলে যাচ্ছে । মেয়েটির নিখোঁজ হবার পিছনে ওদের তিন জনের হাত আছে কিনা সেটা জানার জন্য।


অভয়,রাহিল জঙ্গলে যাচ্ছে । মেয়েটির নিখোঁজ হবার পিছনে ওদের তিন জনের হাত আছে কিনা সেটা জানার জন্য। 

অভয় ও রাহিল জঙ্গলের কিছুটা গভীরে চলে এসেছে। হঠাৎ অভয়ের চোখ পড়ে একটা ঘড়ির উপর। অভয় ঘড়িটি হাতে নিয়ে দেখল। ঘড়িতে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ লেগে শুকিয়ে আছে। অভয় ওর নাক দিয়ে রক্তের স্মেইল নিতে লাগলো। 

প্রিন্স অভয়: রাহিল এটা মানুষের রক্তের স্মেইল ।আর এই ঘড়িটা জ্যাক এর। যেটা আমি কাল রাতে ওর হাতে বাম দেখেছি।

রাহিল: তার মানে এই কাজটা জ্যাক এর । জ্যাক এই মেয়েটাকে কাল রাতে খেয়ে ফেলেছে।

প্রিন্স অভয়: হুম। খুব চালাকির সাথে মেয়েটি কে প্রেমের জালে ফেলে জঙ্গলে নিয়ে এসে জ্যাক ওর কাজ করেছে। 

রাহিল: জ্যাক এটা একদমি ঠিক করেনি। সবার মনের মধ্যে আতংক ছড়াবে। যদি জানতে পারে এটা নেকড়ে দের কাজ।

প্রিন্স অভয়: জানতে পারবে না। প্রমান‌ সব মিটিয়ে দিয়েছে জ্যাম। খুব চালাকির সাথে কাজটা করেছে। এক বার জ্যাক কে হাতের কাছে পেয়ে নেই।..........[ কিছুটা রেগে বললো ]

রাহিল: এখান থেকে এখন চল। পুলিশ রা তদন্ত করছে। জঙ্গলে আমাদের দেখলে সন্দেহ করতে পারে। 

প্রিন্স অভয়: হ্যাঁ! চল।

অভয় ও রাহিল জঙ্গল থেকে কলেজের উদ্দেশ্যে হাঁটা ধরল।

প্রিয়া ক্লাস শেষ করে লাইব্রেরির জানালার কাছে বসে বই পড়ছে। হুট করেই প্রিয়ার চোখ যায় জালানার বাহিরে । অভয় ও রাহিল কে জঙ্গল থেকে আসতে দেখছে প্রিয়া ।

প্রিয়া: ওরা জঙ্গলে থেকে ফিরে আসছে কেন? আর জঙ্গলেই বা গিয়েছিল কেন? নেহার মৃত্যুর পিছনে কী ওদের দু জনের হাত আছে? আমাকে জানতে হবে। আর কাল রাতে আমার বাম হাাতে রুমাল বাঁধা ছিল কেন? রুমাল টা কী অভয় বেঁধে ছিল? ওই ×চিহ্নটা ডাকার জন্য? নাহ্!

অভয়ের সাথে কথা বলতে হবে আমাকে। এই রুমাল টা অভয়কে দেওয়ার সময়,অভয় কে জিজ্ঞেস করবো।..........[ মনে মনে বললো ]

প্রিয়া লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে নিচে নামতে লাগলো। সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে অভয়‌ ও রাহিলের সামনে এসে দাঁড়ায়।

রাহিল প্রিয়া কে এদের সামনে এসে দাঁড়াতে দেখে "আমার কাজ "আছে বসে চলে যায়। 

অভয় রাহিলের ব্যবহারে কিছুটা বিরক্ত হয় । 

প্রিন্স অভয়: এবাবে সামনে দাঁড়িয়ে আছো কেন? কিছু বলবে?.........[ গম্ভীর কন্ঠে ]

প্রিয়া: হ্যাঁ!

প্রিন্স অভয়: বলো?

প্রিয়া: কাল রাতে আমার হাতে এই রুমালটি কে বেঁধে ছিল,তুমি? 

প্রিন্স অভয়: হ্যাঁ! আমি।

প্রিয়া: কেন?........[ ভ্রু কুঁচকে ]

প্রিন্স অভয়: তোমার হাতে অদ্ভুত ধরনের একটা দাগ আছে। সেটা দেখে যাতে কারো মনে সন্দেহ না জাগে তাই বেঁধে ছিলাম ।

প্রিয়া: সন্দেহ জাগবে কেন?

প্রিন্স অভয়: সেটা তোমার দাগ কে জিজ্ঞেস কর। ফালতু কথা....[ বলেই চলে যেতে নিলে প্রিয়া থামিয়ে দেয় ]

প্রিয়া: ওয়েট,ওয়েট,ওয়েট.....আরেকটি কথা? তোমরা জঙ্গলে গিয়েছিলে কেনো? 

প্রিন্স অভয়: সেটা তোমাকে বলব কেনো? ডিসগাস্টিং.......[ বলেই চলে যায় ]

প্রিয়া : এত ভাব কোথায় পায় এই ছেলেটি আল্লাহ্ জানে।


নেকড়ে কিংডম.....

এবিক: জ্যাক তুমি কাজটি একদম ঠিক করনি। তোমারি কলেজে পড়ুয়া মেয়েকেই খেতে গেলে ‌কেন? মানুষের কী অভাব পড়েছিল নাকি?......[ রেগে বললো ]

জ্যাক: স্যরি ড্যাড! আমি আসলে বুঝতে পারিনি। 

এবিক: এই রকম ভুল যেনো দ্বিতীয় বার না হয়। 

জ্যাক: ওকে ড্যাড ।

এবিক: মেয়েটির কোনো খবর পেলে?

এলিনা : ড্যাড! আমাদের কলেজের প্রিয়া নামের মেয়েটির উপর আমার সন্দেহ হয়। প্রিন্স অভয় ওই প্রিয়া নামের মেয়েটির উপরে নজর রাখে। 

স্যাম: কই আমি তো দেখলাম না। আর প্রিয়ার উপরে তেমন কোন সন্দেহজনক বিষয় তো আমার নজরে পড়ল না । 

এলিনা: তুই সন্দেহজনক বিষয় দেখবি কী করে ? প্রিয়া কে দেখলেই তো তুই পাগল হয়ে যাস।......[ খোচা মেরে বললো কথাটা ]

স্যাম: দেখ এলিনা,বেশি কথা বলবি না। 

এলিনা: ঠিকি তো বলেছি। প্রিয়া কে দেখলেই...........।

এবিক: ব্যাস! তোমরা থামো। যাও এখান থেকে । আর হ্যাঁ! প্রিয়া নামের মেয়েটির উপর নজর রাখো। 

এলিনা: ওকে ড্যাড।


পরের দিন...

প্রিয়া ক্লাস শেষ করে চুপি চুপি অভয়ের গাড়ির সামনে যেতে লাগলো। প্রিয়ার উদ্দেশ্যে অভয়ের গাড়ি চাক্কা পামচার করে দিবে। যেই ভাবা সেই কাজ। প্রিয়া গাড়ির চাক্কার মধ্যে একটা লোহা ইট মেরে গেথে দিল। চাকা পামচার হয়ে গেল। প্রিয়া মুচকি হেসে কলেজের মাঠে বসে বই পড়তে লাগলো। অভয় ও রাহিল ক্লাস রুম থেকে বের হয়ে হেঁটে গাড়ির সামনে এসে দেখে গাড়ির চাকা পামচার। 

প্রিন্স অভয়: শিট! এটা হলো কিভাবে?.......[ বেশ রেগে ]

রাহিল: কে জানে?

প্রিন্স অভয়: আপনা আপনি তো হবার কথা নই। নিশ্চয় এই কাজটা কেউ ইচ্ছে করে করেছে।....... [ রেগে বললো ]

রাহিল: হ তাও ঠিক কথা।

হুট করেই অভয় ও রাহিল এর কানে প্রিয়ার বলা মনে মনে কথা ওদের কানে আসে।

প্রিয়া: হিহিহি...যাও যাও ভালো করে গাড়ি নিয়ে বাসায় যাও। অভয় জি,বেশি ভাব দেখালে‌ এই অবস্থাই হবে.........[ বইয়ে মুখ ডুবিয়ে মনে মনে বললো ]

রাহিল: কেমডা লাগে....প্রিয়া এটা কী করল বল তো অভয় জি। মানে অভয় ভাই।

অভয় রাগে ফোস ফোস করছে। চাকা পামচার করেছে তাই প্রিয়ার উপর রাগ হচ্ছে খুব।

অভয় হেঁটে প্রিয়ার কাছে যেতে নিলে রাহিল পিছন থেকে বললো।

রাহিল: নিজে গাঁধা হয়ে অন্য কে আবার গাঁধা বলে।...........[ মনে মনে ]

অভয় থেমে গিয়ে পিছনে ঘুরে তাকায় রাহিলের দিকে ।

রাহিল: অভয় তুই বুঝিস নাই আমার কথা?  এখন যদি তুই চাকা পামচার এর কথাটা প্রিয়া কে জিজ্ঞেস করতে যাস,তাহলে প্রিয়া কী ভাববে বলতো?.......[ মনে মনে ]

প্রিন্স অভয়: রাইট।......[ মনে মনে ]

রাহিল: রাহিল সব সময় রাইট কথাই বলে । হুদা কেউ সেনা কানে তোলে না রাহিলের কথা........[ মুড নিয়ে বললো ] 

প্রিন্স অভয়: বলে ভুল হইছে রাইট কথাটা।.....[ রেগে মনে মনে বললো ]

রাহিল: তুই যে ভ্যাম্পায়ার কেনো‌ হইলি....[ মনে মনে ]

প্রিন্স অভয়: রাহিল.....[ রেগে মনে মনে ]

রাহিল: হ আমার নাম রাহিল সেটা তো জানসি?.....[ মনে মনে ]

এদিকে প্রিয়া বই সামনে থেকে সরিয়ে এক চোখ দিয়ে অভয় ও রাহিলের দিকে তাকাল। প্রিয়া ওদের দিকে তাকিয়ে দেখে একে অপরের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে । ওর কাছে মনে হতে লাগলো মনে মনে ওরা কথা বলছে । প্রিয়া বই রেখে উঠে ধীরে পারে হেঁটে ওদের কাছে গিয়ে কান পাতল। কিন্তু প্রিয়া কোন কথা শুনতে পাচ্ছে না। আরেকটু হেঁটে ওদের সামনে গেল। এবার ও কিছুই শুনতে পেল না। এবার ওদের একদম সামনে দাঁড়িয়ে কান পেতে শুনতে লাগলো। অভয় রাহিল ওরা মনে মনে কথা বলা বন্ধ করে সামনে তাকিয়ে দেখে প্রিয়া কান সামনের দিকে দিয়ে কিছু শুনার চেষ্টা করছে। 

প্রিয়া: কী যে বলে ওরা দু জন কিছুই তো শুনি না।..........[ মনে মনে ]

রাহিল প্রিয়ার মনে মনে বলা কথাটা শুনেই হু হু করে জোরে জোরে হাসতে লাগলো । প্রিয়ার ধ্যান ভাঙ্গে রাহিলের হাসির শব্দ শুনে । প্রিয়ার সামনে তাকিয়ে দেখে রাহিল হাসছে। আর অভয় রাগ নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে আছে।

প্রিয়া: এই রে...ধরা পড়ে গেলাম নাকি......[ মনে মনে ]

প্রিন্স অভয়: রাহিল হাসি থামা......আর প্রিয়া তুমি আমার গাড়ির চাক্কা পাম..............[ বাকিটা কথা বলার আগেই রাহিল অভয়ের মুখ চেপে ধরল ]

প্রিয়া: কী বললেন? গাড়ির চাকা পাম মানে?

রাহিল : ও কিছু না....অভয় বলতে চাইছে...গাড়ির চামা পামচার পামচার একটা গান আছে,সেই গানটা তুমি শুনেছ?

প্রিয়া: এটা আবার কেমন গান? গানটা গেয়েছে কে? 

রাহিল: রাহিল ভ্যাম....। 

প্রিয়া: রাহিল ভ্যাম মানে?

রাহিল: আরে তুমি চিনবে না,কিছুক্ষন আগেই তিনি গায়ক হয়েছেন। 

প্রিয়া: সেটা কিভাবে?

রাহিল: আরে তুমি কিভাবে সেটা বুঝবে না। কিছুক্ষন আগেই তিনি এই গানটা বানিয়েছে। 

প্রিয়া: কিছুক্ষন আগে বানালো কিভাবে?

রাহিল: আরে তুমি.........[ এবার অভয় রাহিলের মুখ চেপে ধরে ]

অভয় রাহিলের হাত ওর মুখের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে বললো। 

প্রিন্স অভয়: আর একটা কথা যদি তোর মুখ থেকে বের হইছে কী? তাহলে তুই শেষ ।......[ রাগী কন্ঠে বললো ]

রাহিল অভয়ের হাত ওর মুখের উপর থেকে সরিয়ে বললো।

রাহিল: হাত সরা। একটা কথা বলব না। দুইটা,তিনটা,চারটা,পাঁচটা বলব। তাহলে তো আর আমি শেষ হবো না। তাই না ।

অভয় এবার অগ্নিময় দৃষ্টিতে রাহিলের দিকে তাকায়। রাহিল এতক্ষন পর উপলব্ধি করতে পেরেছে যে ও একটু আগে কী বলেছে। রাহিল আস্তে করে কেঁটে পড়ে। অভয় এবার প্রিয়ার দিকে তাকিয়ে ধকম দিয়ে বললো।

প্রিন্স অভয়: তুমি এখানে দাঁড়িয়ে আছো কেনো? যাও বাসায় যাও।

প্রিয়া অভয়ের ধমক শুনে ওর সামনে থেকে কলেজের ভিতরে চলে যায়। অভয় গাড়ি রেখে হাঁটা ধরল বাসায় যাবার জন্য। প্রিয়া দেয়ালের পিছন থেকে বেরিয়ে অভয়ের পিছু পিছু হাঁটতে লাগলো। অভয় ওর মতো করে হাঁটছে। কিছু দূর হাঁটার পর অভয়ের মনে হতে লাগলো ওর পিছনে কেউ হাঁটছে। পিছনে তাকিয়ে দেখে কেউ নেই। অভয় আবার হাঁটতে লাগলো। প্রিয়া আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে অভয়ের পিছু পিছু হাঁটছে । প্রিয়া বুঝতে পেরেছে অভয় পিছনে ঘুরে তাকাবে ,তাই অভয় তাকানোর আগেই প্রিয়া আড়ালে লুকিয়ে পড়ে। অভয় এবার হাঁটতে হাঁটতে মানুষের ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যায়। প্রিয়া মানুষের ভিড়ের মধ্যে অভয় কে খুঁজতে লাগলো। অভয় মানুষের ভিড়ে লুকিয়ে দেখে প্রিয়া ওর পিছনে । অভয় বুঝে যায় প্রিয়া ওর পিছু নিয়েছে।

প্রিন্স অভয়: প্রিয়া তুমি আগুনের পিছনে ছুড়ছ।আমার বিষয়ে জানতে এসোনা প্রিয়া । তুমি বিপদে পড়ে যাবে। ........[ মনে মনে ]

.

.

.

প্রিয়া: অভয় আমি তোমার বিষয় সব জেনেই ধম নিবো। আমি জানতে চাই তোমার রহস্য কী? কোথায় ছিলে তুমি এতদিন?.......[ মনে মনে ]

প্রিয়া চার দিক তাকিয়ে অভয়কে খোঁজ করছে। হঠাৎ প্রিয়া রাস্তার ওপারে অভয় কে দেখতে পায় অভয় হেঁটে যাচ্ছে। প্রিয়া তাড়াহুড়ো করে রাস্তা পার হতে নিলে। আচমকা একটা লাল রঙের গাড়ি প্রিয়ার দিকে তেড়ে আসতে থাকে। প্রিয়া গাড়িটি দেখে সরে যাবার আগেই অভয় ঝড়ের বেগে এসে প্রিয়ার কোমড় ধরে গাড়ির সামনে থেকে সরিয়ে রাস্তার এপারে নিয়ে আসে । গাড়িটা সামনের দিকে গিয়ে জোরে ব্রেক কষে। প্রিয়া হতভম্ব হয়ে যায়। প্রিয়া অভয় কে খুব কাছ থেকে দেখেছে ঝড়ের বেগে দৌড়ে ওকে গাড়ির কাছ থেকে সরিয়ে নিতে । ওইখান কার কিছু মানুষ ও এই বিষয়টি দেখে অবাক হয়ে যায়। সবাই বুঝার চেষ্টা করছে একটু আগে কী হয়েছিল? অভয় প্রিয়া কে একটা বইয়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে দেয়ালের সাথে প্রিয়ার দু বাহু চেপে ধরে বললো।

প্রিন্স অভয়: পাগল হয়ে গেছো তুমি? রাস্তা কিভাবে পার হতে হয় সেটা তুমি জানো না?.......[ ঝাঁঝাল কন্ঠে ]

প্রিয়া এখনো অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে অভয়ের দিকে । মুখ দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না। অভয় প্রিয়া কে এবাবে অবাক ও চুপ থাকতে দেখে। ধমক দিয়ে বললো।

প্রিন্স অভয়: কথা বলছো না কেনো...ভ্যাম ইট!...

প্রিয়া অভয়ের ধমক শুনে কিছুটা কেঁপে উঠে। 

প্রিয়া: ত..তুমি কে অভয়?.....[ ভয় ভয় কাঁপা কাঁপা স্বুরে বললো ]

অভয় বুঝতে পেরেছে প্রিয়া ওর বিষয় কিছুটা আন্দাজ করতে পেরেছে। আস্তে করে প্রিয়ার দু বাহু ছেড়ে দিয়ে ওর কাছ থেকে দূরে সরে গিয়ে বুক সেলফ থেকে বেরিয়ে যেতে লাগলো। 

প্রিয়া: অভয়....অভয় বল তুমি কে?.....[ চিৎকার দিয়ে বললো ]

অভয় প্রিয়ার কথা কানে নিল না। সেখান থেকে তাড়াতারি বেড়িয়ে গেল। প্রিয়া বইয়ের দোকান থেকে বাহিরে বের হয়ে দেখল অভয় কোথাও নেই। এখন প্রিয়া আরো অবাক হয়ে যায়। চার দিক হন্ন হয়ে খুঁজতে থাকে অভয় কে। এক পর্যায় প্রিয়া অভয় কে না পেয়ে হতাশ হয়ে যায়।



চলবে...!!!

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url