• কুসুম্বা মসজিদ
  • ভ্রমণ গাইড
  • কুসুম্বা মসজিদ: ইতিহাস, স্থাপত্যশৈলী ও পূর্ণাঙ্গ ভ্রমণ তথ্য

    কুসুম্বা মসজিদ

    কুসুম্বা মসজিদ: পাথর ও স্থাপত্যের এক অনন্য ইতিহাস

    বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় অবস্থিত কুসুম্বা মসজিদ । এটি সুলতানি আমলের স্থাপত্যরীতির এক উজ্জ্বল নিদর্শন । এর দেওয়ালে পাথরের নিখুঁত কারুকাজ এবং শক্তিশালী কাঠামোর কারণে এটি আজও পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ।

    ১. নির্মাণ ইতিহাস ও সময়কাল

    কুসুম্বা মসজিদটি বাংলার আফগান সুলতান গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহের শাসনকালে নির্মিত হয়েছিল । মসজিদের গায়ে লাগানো শিলালিপি অনুযায়ী, এটি ১৫৫৮ সালে (৯৬৬ হিজরি) সুলাইমান নামক জনৈক ব্যক্তি নির্মাণ করেন । যদিও এটি আফগান শাসনামলে তৈরি, তবে এর স্থাপত্যরীতিতে বাংলার ঐতিহ্যবাহী গৌড়ীয় প্রভাব স্পষ্ট ।

    ২. স্থাপত্যশৈলী ও গঠন

    কুসুম্বা মসজিদটি আয়তাকার এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৮ ফুট এবং প্রস্থ ৪২ ফুট। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

    • পাথরের ব্যবহার: মসজিদটির বাইরের দেওয়াল ধূসর ও কালো রঙের পাথর দিয়ে ঢাকা। এই পাথরগুলো আনা হয়েছিল ভারতের রাজমহল পাহাড় থেকে।
    • গম্বুজ: মসজিদের ছাদে মোট ছয়টি গম্বুজ রয়েছে, যা দুই সারিতে বিন্যস্ত।
    • মিহরাব: মসজিদের ভেতরে পশ্চিম দেওয়ালে তিনটি চমৎকার মিহরাব রয়েছে। এই মিহরাবগুলোর ওপর লতাপাতা ও আঙুর লতার সূক্ষ্ম খোদাই করা নকশা দেখা যায়।
    • বিশেষত্ব: উত্তর পাশের মিহরাবটি অন্য দুটির চেয়ে আলাদা এবং এটি একটি উঁচুতে অবস্থিত প্ল্যাটফর্মের পাশে। ধারণা করা হয়, এটি তৎকালীন শাসক বা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের প্রার্থনার জন্য সংরক্ষিত ছিল।

    ৩. ‘কালা পাহাড়’ ও নামকরণ

    স্থানীয়ভাবে এই মসজিদকে ‘কালা মানিক’ বা ‘কালা পাহাড়’ নামেও ডাকা হয়। এর কারণ হলো এর কালো পাথরের তৈরি গম্ভীর ও শক্তিশালী অবয়ব। কথিত আছে, ১৮৯৭ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে মসজিদের গম্বুজগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, কিন্তু পাথরের দেওয়ালগুলো অটুট ছিল। পরবর্তীতে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এটি সংস্কার করে।

    ৪. বর্তমান অবস্থা ও গুরুত্ব

    বর্তমানে কুসুম্বা মসজিদটি বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে সংরক্ষিত। বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে এই মসজিদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা এর জাতীয় গুরুত্বের প্রমাণ দেয়। মসজিদের সামনে একটি বিশাল দিঘি রয়েছে, যা মসজিদটির সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

    কুসুম্বা মসজিদে আরও কিছু বিশেষ নকশা

    ১. মিহরাবের সূক্ষ্ম পাথুরে নকশা

    মসজিদটির ভেতরে পশ্চিম দেওয়ালে তিনটি মিহরাব রয়েছে। এই মিহরাবগুলোর ওপর পাথরের খোদাই করা নকশাগুলো সুলতানি আমলের শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্মের একটি।

    • আঙুর লতা ও লতাপাতা: মিহরাবের চারদিকে পাথরের ওপর আঙুর লতা, গোলাপ ফুল এবং বিভিন্ন ঝুলন্ত মোটিফের নকশা রয়েছে।
    • তীর্যক খিলান: মিহরাবগুলোর খিলানে যে পাথর ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বাঁকানো এবং খাঁজকাটা।

    ২. সংরক্ষিত রাজকীয় গ্যালারি (জেনানা মহল)

    মসজিদটির উত্তর-পশ্চিম কোণে একটি উঁচু প্ল্যাটফর্ম বা তখত রয়েছে। একে বলা হয় ‘রাজকীয় গ্যালারি’

    • স্তম্ভের কারুকাজ: এই গ্যালারিটি কয়েকটি পাথরের পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। পিলারের মাথায় এবং গোড়ায় শিকল ও ঘণ্টার (Chain and Bell) নকশা খোদাই করা।
    • উঁচু অবস্থান: সাধারণ মুসল্লিদের চেয়ে শাসকরা যাতে আলাদাভাবে নামাজ পড়তে পারেন, সেজন্য এই বিশেষ নকশাটি করা হয়েছিল।

    ৩. প্রবেশপথের অলঙ্করণ

    মসজিদটির পূর্ব দিকে তিনটি এবং উত্তর-দক্ষিণে একটি করে মোট পাঁচটি প্রবেশপথ রয়েছে।

    • পাথরের ফ্রেম: প্রতিটি দরজার চারপাশে পাথরের গভীর খোদাই করা ফ্রেম আছে। এই ফ্রেমে জ্যামিতিক নকশা এবং লতাপাতার মোটিফ ব্যবহার করা হয়েছে।
    • টেরাকোটা ও পাথরের মিশ্রণ: যদিও পুরো মসজিদটি পাথরে ঢাকা, কিন্তু ভেতরের কিছু অংশে টেরাকোটা বা পোড়ামাটির নকশার আদলে পাথর খোদাই করা হয়েছে, যা বাংলার নিজস্ব শিল্পরীতির পরিচয় দেয়।

    ৪. পাথরের শিকল ও ঘণ্টার নকশা (Chain and Bell Motif)

    সুলতানি আমলের অনেক মসজিদে এই নকশা দেখা গেলেও কুসুম্বা মসজিদে এটি অত্যন্ত স্পষ্ট। মিহরাবের দুই পাশে এবং পিলারে খোদাই করা পাথরের শিকল ঝুলে থাকার দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি দেখতে অনেকটা ঝাড়বাতির মতো মনে হয়।

    ৫. কার্নিশ ও ছাদের কারুকাজ

    মসজিদটির কার্নিশগুলো (ছাদের ধার) কিছুটা বাঁকানো, যাকে স্থাপত্যের ভাষায় ‘চৌচালা’ বা ‘কার্ভড কার্নিশ’ বলা হয়। এটি প্রাচীন বাংলার বাঁশ ও খড়ের চালের ঘরের আদলে তৈরি। পাথরের ওপর এমন বাঁকানো নকশা করা তৎকালীন প্রকৌশলবিদ্যার এক বিস্ময়।

    নকশার সংক্ষিপ্ত তালিকা:

    নকশার ধরনবৈশিষ্ট্য
    মিহরাব নকশাআঙুর লতা, গোলাপ ও শিকলের খোদাই।
    পিলারের নকশাঘণ্টার মোটিফ ও জ্যামিতিক রেখা।
    পাথরের জালিভেন্টিলেশনের জন্য পাথরের ফুটো করা নকশা।
    শিলালিপিআরবি ও ফারসি ক্যালিগ্রাফি সম্বলিত শিলালিপি।

    🕌 কুসুম্বা মসজিদ ভ্রমণ গাইড (নওগাঁ)

    কুসুম্বা মসজিদ কেবল একটি ধর্মীয় স্থান নয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক জীবন্ত দলিল। রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলায় যারা ভ্রমণ করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি অন্যতম গন্তব্য।

    📍 অবস্থান

    • বিভাগ: রাজশাহী।
    • জেলা: নওগাঁ।
    • উপজেলা: মান্দা। (রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত)।

    🚌 ঢাকা থেকে কীভাবে যাবেন?

    ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করে আপনি নওগাঁ বা মান্দা ফেরিঘাট এলাকায় যেতে পারেন।

    • বাস: গাবতলী, কল্যাণপুর বা আব্দুল্লাহপুর থেকে শ্যামলী, হানিফ, এসআর বা নাবিল পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস নওগাঁ যায়।
    • ভাড়া: নন-এসি ৬০০-৭৫০ টাকা এবং এসি ১০০০-১৩০০ টাকা।
    • কোথায় নামবেন: বাস সুপারভাইজারকে বললেই আপনাকে মান্দা উপজেলার কুসুম্বা মোড়ে নামিয়ে দেবে। মোড় থেকে মসজিদটি ৫-১০ মিনিটের হাঁটা পথ।

    🚂 ট্রেন ভ্রমণ (আরামদায়ক বিকল্প)

    ঢাকা থেকে সরাসরি নওগাঁর ভেতর দিয়ে ট্রেন যায় না, তবে আপনি সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনে নামতে পারেন।

    • ট্রেন: দ্রুতযান, একতা বা নীলসাগর এক্সপ্রেসে সান্তাহার নামুন।
    • সান্তাহার থেকে: সান্তাহার থেকে সিএনজি বা বাসে করে নওগাঁ শহর হয়ে মান্দা আসতে হবে (প্রায় ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টার পথ)।

    🍽️ খাওয়া-দাওয়া

    মসজিদ এলাকার পাশেই ছোটখাটো কিছু হোটেল ও রেস্টুরেন্ট আছে যেখানে দুপুরের খাবার সেরে নিতে পারেন।

    • বিশেষ পরামর্শ: মান্দা বা নওগাঁর মিষ্টি ও দই বেশ জনপ্রিয়, সুযোগ পেলে অবশ্যই চেখে দেখবেন। ভালো মানের রেস্টুরেন্টের জন্য নওগাঁ শহরে ফিরে যাওয়াই ভালো।

    🏨 থাকার ব্যবস্থা

    কুসুম্বা মসজিদের পাশে থাকার মতো তেমন ভালো হোটেল নেই। আপনাকে থাকার জন্য নওগাঁ শহরে অথবা রাজশাহী শহরে ফিরে আসতে হবে।

    • নওগাঁ শহর: হোটেল যমুনা, হোটেল অবকাশ বা জেলা পরিষদের ডাক বাংলোতে থাকতে পারেন।
    • রাজশাহী: আপনি যদি রাজশাহী ঘুরে দেখতে চান, তবে রাজশাহীর উন্নতমানের হোটেলগুলোতে (যেমন: গ্র্যান্ড রিভার ভিউ, হোটেল নাইস) থাকতে পারেন। নওগাঁ থেকে রাজশাহীর দূরত্ব মাত্র ১ ঘণ্টা।

    📸 ভ্রমণের সঠিক সময় ও টিপস

    • সেরা সময়: শীতকাল (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক।
    • ফটোগ্রাফি: মসজিদের ভেতরের কারুকাজ ও সামনের বিশাল দিঘির ছবি তোলার জন্য সকালের বা পড়ন্ত বিকালের আলো সবচেয়ে সুন্দর।
    • পোশাক: যেহেতু এটি একটি সক্রিয় মসজিদ, তাই মার্জিত পোশাক পরিধান করা বাঞ্ছনীয়।

    🗺️ কাছাকাছি আরও যা দেখবেন

    আপনি যদি কুসুম্বা মসজিদ ভ্রমণে যান, তবে একই দিনে বা পরদিন আরও কিছু জায়গা ঘুরে দেখতে পারেন:

    1. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (বদলগাছী): এটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট (নওগাঁ শহর থেকে দূরে)।
    2. পতিসর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাচারি বাড়ি): আত্রাই উপজেলায় অবস্থিত।
    3. বলিহার রাজবাড়ি: নওগাঁ সদর উপজেলার কাছাকাছি।

    প্রয়োজনীয় তথ্য: ৫ টাকার নোটের সাথে মিলিয়ে মসজিদের সামনের অংশটির ছবি তুলতে ভুলবেন না!

    খরচের বাজেট বা ট্যুর প্ল্যান

    নওগাঁর কুসুম্বা মসজিদকে কেন্দ্র করে ১ রাত ২ দিনের একটি আদর্শ ভ্রমণ পরিকল্পনা ও আনুমানিক খরচের হিসাব নিচে দেওয়া হলো। এই প্ল্যানটি এমনভাবে করা হয়েছে যাতে আপনি কুসুম্বা মসজিদের পাশাপাশি নওগাঁর অন্যান্য বিখ্যাত স্থানগুলোও (যেমন: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার) ঘুরে দেখতে পারেন।

    🗓️ ১ রাত ২ দিনের ট্যুর প্ল্যান (ঢাকা থেকে)

    ১ম দিন: কুসুম্বা মসজিদ ও রাজশাহী ভ্রমণ

    • সকাল ৭:০০: ঢাকা থেকে নওগাঁ বা রাজশাহীর বাসে যাত্রা। (কল্যাণপুর/গাবতলী থেকে)।
    • দুপুর ১:৩০: মান্দা উপজেলার কুসুম্বা মোড়ে নামা।
    • দুপুর ২:০০: দুপুরের খাবার সেরে ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদ দর্শন। মসজিদের কারুকাজ দেখা এবং বড় দিঘির পাড়ে সময় কাটানো।
    • বিকাল ৪:৩০: সিএনজি বা লোকাল বাসে করে নওগাঁ শহরের দিকে যাত্রা।
    • রাত ৮:০০: নওগাঁ শহরে পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন এবং রাত্রীযাপন।

    ২য় দিন: পাহাড়পুর ও পতিসর ভ্রমণ

    • সকাল ৮:০০: নাস্তা সেরে পাহাড়পুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা (নওগাঁ শহর থেকে প্রায় ১-১.৫ ঘণ্টা)।
    • সকাল ৯:৩০: ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট সোমপুর মহাবিহার (পাহাড়পুর) পরিদর্শন।
    • দুপুর ১:৩০: মধ্যাহ্নভোজ সেরে নেওয়া।
    • বিকাল ৩:০০: সময় থাকলে আত্রাইয়ে অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পতিসর কাচারি বাড়ি ঘুরে দেখা।
    • রাত ৮:০০: নওগাঁ বা সান্তাহার স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ফিরতি বাস বা ট্রেন ধরা।

    💰 আনুমানিক খরচের বাজেট (জনপ্রতি)

    এই বাজেটটি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একসাথে ভ্রমণ করলে কিছুটা কম হতে পারে।

    ব্যয়ের খাতবিবরণআনুমানিক খরচ (টাকা)
    যাতায়াত (আসা-যাওয়া)ঢাকা-নওগাঁ (নন-এসি বাস)১৪০০ – ১৫০০/-
    স্থানীয় যাতায়াতসিএনজি, অটো বা লোকাল বাস৫০০ – ৭০০/-
    থাকা (১ রাত)মাঝারি মানের হোটেল (শেয়ারিং বেসিস)৬০০ – ১০০০/-
    খাবার (২ দিন)৬ বেলা খাবার + হালকা নাস্তা৮০০ – ১০০০/-
    প্রবেশ ফিমসজিদ ও মিউজিয়ামের টিকেট৫০ – ১০০/-
    মোট সম্ভাব্য খরচজনপ্রতি৩,৩৫০ – ৪,৩০০/-

    💡 কিছু প্রয়োজনীয় টিপস:

    1. ট্রেন ভ্রমণ: আপনি যদি ট্রেনে যেতে চান, তবে ঢাকা থেকে সান্তাহার স্টেশনের টিকেট কাটতে পারেন। এতে যাত্রা অনেক আরামদায়ক হবে। শোভন চেয়ারের ভাড়া ৩৫০-৪৫০ টাকার মধ্যে।
    2. হোটেল বুকিং: নওগাঁ শহরে হোটেল অবকাশ, হোটেল যমুনা বা মল্লিকা ইন-এ থাকতে পারেন। আগে থেকে ফোন করে বুকিং দিলে সুবিধা হবে।
    3. টিকেট: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের প্রবেশ টিকেট এখন ২০-৩০ টাকা। তবে সাথে ক্যামেরা থাকলে আলাদা ফি দিতে হতে পারে।
    4. ৫ টাকার নোট: কুসুম্বা মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে ৫ টাকার নোটের সাথে মিলিয়ে একটি ছবি তুলতে ভুলবেন না!

    একনজরে কুসুম্বা মসজিদ

    বিষয়তথ্য
    অবস্থানমান্দা উপজেলা, কুসুম্বা গ্রাম, নওগাঁ (রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের পাশে)
    প্রতিষ্ঠাতাসুলাইমান নামক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (সুলতান গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহের আমলে)
    নির্মাণকাল১৫৫৮ খ্রিস্টাব্দ (৯৬৬ হিজরি)
    প্রধান আকর্ষণকালো পাথরের সূক্ষ্ম কারুকাজ, রাজকীয় গ্যালারি, বিশাল দীঘি এবং ৫ টাকার নোটের দৃশ্য
    স্থাপত্যরীতিসুলতানি আমলের পাথুরে স্থাপত্য (ছয় গম্বুজ বিশিষ্ট)
    উপযুক্ত সময়শীতকাল (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আরামদায়ক

    পরিশেষে একটা কথায় বলতে চায়, কুসুম্বা মসজিদ বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সাক্ষী । আপনি যদি ইতিহাসপ্রেমী হন এবং প্রাচীন স্থাপত্যের সান্নিধ্য পেতে চান, তবে নওগাঁর এই কালা মানিক দর্শনে অবশ্যই ঘুরে আসুন ।

    1 mins
    Right Menu Icon