• কারবালা প্রান্তর গল্প
  • কারবালা প্রান্তর জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর: HSC বাংলা সাহিত্য পাঠ

    কারবালা প্রান্তর জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

    উচ্চমাধ্যমিক (HSC) বাংলা সাহিত্য পাঠ পাঠ্যবইয়ের অন্যতম আবেগঘন ও তাৎপর্যপূর্ণ রচনা হলো মীর মশাররফ হোসেনের কালজয়ী মহাকাব্যোপন্যাস বিষাদ-সিন্ধু’ থেকে সংকলিত ‘কারবালা-প্রান্তর’ । কারবালার প্রান্তরে সত্য ও ইনসাফ রক্ষার লড়াইয়ে হযরত ইমাম হোসেন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীদের আত্মত্যাগের করুণ কাহিনী এই পাঠ্যের মূল উপজীব্য। পরীক্ষা পদ্ধতিতে বহুনির্বাচনী (MCQ) এবং সৃজনশীল ক-সংক্রান্ত প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ নম্বর পাওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো পাঠ্যবইয়ের নিখুঁত তথ্য ও জ্ঞানভিত্তিক অনুধাবন । শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবং এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ নির্ভুল উত্তর নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘কারবালা প্রান্তর’ রচনার গুরুত্বপূর্ণ ও ইউনিক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন এবং উত্তরসমূহ এখানে সুবিন্যস্তভাবে তুলে ধরা হলো ।

    কারবালা প্রান্তর জ্ঞানমূলক প্রশ্ন


    ১. ‘কারবালা-প্রান্তর’ গদ্যাংশটির রচয়িতা কে?

    উত্তর: মীর মশাররফ হোসেন ।

    ২. মীর মশাররফ হোসেনের ‘কারবালা-প্রান্তর’ রচনাটি তাঁর কোন কালজয়ী উপন্যাস থেকে সংকলিত?

    উত্তর: ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাস থেকে ।

    ৩. ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাসের কোন পর্ব থেকে ‘কারবালা-প্রান্তর’ অংশটি নেওয়া হয়েছে?

    উত্তর: ‘মহররম পর্ব’ থেকে।

    ৪. মীর মশাররফ হোসেন কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

    উত্তর: ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে (১৩ নভেম্বর)।

    ৫. মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান কোথায়?

    উত্তর: কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়া গ্রামে।

    ৬. বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক কে?

    উত্তর: মীর মশাররফ হোসেন।

    ৭. মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কোনটি?

    উত্তর: ‘আমার জীবনী’ (বা ‘গাজী মিঞার বস্তানী’)।

    ৮. মীর মশাররফ হোসেনের একটি বিখ্যাত নাটকের নাম লেখো।

    উত্তর: ‘জমিদার দর্পণ’।

    ৯. মীর মশাররফ হোসেন কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

    উত্তর: ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে (১৯ ডিসেম্বর)।

    ১০. ‘বিষাদ-সিন্ধু’ কোন ধরণের রচনা?

    উত্তর: ইতিহাসভিত্তিক মহাকাব্যোপন্যাস।

    ১১. ‘কারবালা-প্রান্তর’ রচনার মূল উপজীব্য বিষয় কী?

    উত্তর: কারবালার প্রান্তরে হযরত ইমাম হোসেন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীদের ট্র্যাজিক শাহাদাত।

    ১২. কারবালার প্রান্তরটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

    উত্তর: ফোরাত (ইউফ্রেটিস) নদীর তীরে।

    ১৩. ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাসের মূল খণ্ড কয়টি?

    উত্তর: ৩টি (মহররম পর্ব, উদ্ধার পর্ব, জিয়াদ পর্ব)।

    ১৪. মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম কী ছিল?

    উত্তর: গাজী মিঞা।

    ১৫. ‘কারবালা-প্রান্তর’ গল্পে মূল লড়াইটি কাদের মধ্যে হয়েছিল?

    উত্তর: ইমাম হোসেনের সত্যের অনুগামী দল ও এজিদের স্বৈরাচারী বাহিনীর মধ্যে।

    ১৬. কারবালার ট্র্যাজেডি হিজরি কত সনে ঘটেছিল?

    উত্তর: ৬১ হিজরিতে।

    ১৭. কারবালার ঐতিহাসিক যুদ্ধটি হিজরি সনের কোন মাসে সংঘটিত হয়?

    উত্তর: মহররম মাসে।

    ১৮. মীর মশাররফ হোসেনের অন্যতম রূপক উপন্যাস কোনটি?

    উত্তর: ‘মনের কাঁচ’ (বা ‘উদ উদাসীন পথিকের মনের কথা’)।

    ১৯. ‘কারবালা-প্রান্তর’ পাঠে কোন রসের প্রধান্য দেখা যায়?

    উত্তর: করুণ রস।

    ২০. মীর মশাররফ হোসেন কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

    উত্তর: ‘আজিকন’ ও ‘হিতকরী’।

    ২১. ‘বিষাদ-সিন্ধু’ কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?

    উত্তর: ১৮৮৫ সালে (মহররম পর্ব)।

    ২২. কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসেনের কতজন সঙ্গী শাহাদাত বরণ করেন?

    আরও পড়ুন:  কারবালা প্রান্তর সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর: HSC বাংলা সাহিত্য পাঠ

    উত্তর: ৭২ জন।

    ২৩. ‘কারবালা-প্রান্তর’ গল্পে কারবালার যুদ্ধকে কিসের যুদ্ধ হিসেবে দেখানো হয়েছে?

    উত্তর: সত্য ও অসত্যের যুদ্ধ।

    ২৪. বাংলা গদ্যে অলংকারসমৃদ্ধ ও আবেগপ্রধান শৈলীর অনুসারী ঔপন্যাসিক কে?

    উত্তর: মীর মশাররফ হোসেন।

    ২৫. কারবালার প্রান্তরের মূল ট্র্যাজেডির নায়ক কে?

    উত্তর: হযরত ইমাম হোসেন (রা.)।

    ২৬. ইমাম হোসেন (রা.)-এর পিতার নাম কী?

    উত্তর: হযরত আলী (রা.)।

    ২৭. ইমাম হোসেন (রা.)-এর মাতার নাম কী?

    উত্তর: হযরত ফাতিমা (রা.)।

    ২৮. ইমাম হোসেন (রা.)-এর মাতামহ (নানা) কে ছিলেন?

    উত্তর: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)।

    ২৯. ইমাম হোসেনের বড় ভাইয়ের নাম কী?

    উত্তর: হযরত ইমাম হাসান (রা.)।

    ৩০. কারবালার যুদ্ধে কুফার ও সিরিয়ার সেনাপতি কে ছিল?

    উত্তর: ওমর ছাদ।

    ৩১. কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসেনের বুকে চেপে বসে কে খঞ্জর চালিয়েছিল?

    উত্তর: ঘাতক সীমার (শিমর)।

    ৩২. ইমাম হোসেনের শিশুপুত্রের নাম কী, যে তৃষ্ণায় শাহাদাত বরণ করে?

    উত্তর: আলী আসগর।

    ৩৩. ইমাম হোসেনের যে জ্যেষ্ঠ পুত্র যুদ্ধে বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহীদ হন তাঁর নাম কী?

    উত্তর: আলী আকবর।

    ৩৪. কাসেম কার পুত্র ছিলেন?

    উত্তর: ইমাম হাসানের (রা.) পুত্র।

    ৩৫. ইমাম হোসেনকে পিছন থেকে বিষাক্ত লৌহশর বা তীর মেরেছিল কে?

    উত্তর: জেযাদ (বা সীমার/এজিদ সেনাদল)।

    ৩৬. এজিদের পিতার নাম কী ছিল?

    উত্তর: আমির মুয়াবিয়া।

    ৩৭. এজিদ বাহিনীর অন্যতম প্রভাবশালী বীর অধিনায়ক কে ছিল?

    উত্তর: আব্দুর রহমান।

    ৩৮. ইমাম হোসেনের বিশ্বস্ত অশ্ব বা ঘোড়ার নাম কী ছিল?

    উত্তর: দুলদুল।

    ৩৯. কারবালার মাঠে এজিদ পক্ষের প্রধান চক্রান্তকারী শাসক কে ছিল?

    উত্তর: এজিদ।

    ৪০. ইমাম হোসেনের একমাত্র জীবিত পুত্র যিনি অসুস্থতার কারণে যুদ্ধে নামেননি তাঁর নাম কী?

    উত্তর: জয়নুল আবেদিন।

    ৪১. সীমার কার অনুগত ও ভাড়াটে ঘাতক ছিল?

    উত্তর: এজিদের।

    ৪২. কারবালার যুদ্ধে ইমাম হোসেনের পতাকাবাহী ও ভাই কে ছিলেন?

    উত্তর: হযরত আব্বাস (রা.)।

    ৪৩. ইমাম হোসেনের পতাকাবাহী সেনাপতি কে ছিলেন?

    উত্তর: গাজী আব্বাস।

    ৪৪. ওমর ছাদ কার আদেশে কারবালায় সেনা পাঠায়?

    উত্তর: ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ।

    ৪৫. এজিদের রাজধানীর নাম কী ছিল?

    উত্তর: দামেশক (সিরিয়া)।

    ৪৬. ইমাম হোসেন কোথায় থেকে কারবালার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন?

    উত্তর: মক্কা/মদিনা থেকে।

    ৪৭. এজিদ বাহিনীর সৈন্যরা কোন উপাধিতে বা ভাবমূর্তিতে পরিচিত?

    উত্তর: পাষাণ, অধার্মিক ও নরাধম।

    ৪৮. ইমাম হোসেনকে হত্যা করার পর সীমার কিসের প্রত্যাশা করেছিল?

    উত্তর: এজিদের কাছ থেকে অঢেল পুরস্কার ও স্বর্ণমুদ্রার।

    ৪৯. কারবালার যুদ্ধে কারা ফোরাত নদীর পানি আটকে দিয়েছিল?

    উত্তর: এজিদের সৈন্যরা।

    ৫০. ইমাম হোসেনের শিবিরের নারীদের নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন?

    উত্তর: হযরত জায়নব (রা.)।

    ৫১. এজিদ পক্ষ ইমাম হোসেনকে হত্যার জন্য তাঁর মাথার দাম কত ঘোষণা করেছিল?

    উত্তর: ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা/স্বর্ণমুদ্রা।

    ৫২. ইমাম হোসেন ফোরাত নদীর কূলে কিসের জন্য গিয়েছিলেন?

    আরও পড়ুন:  কারবালা প্রান্তর গল্প - মীর মশাররফ হোসেন: HSC বাংলা সাহিত্য পাঠ

    উত্তর: তাঁর অত্যন্ত ক্লান্ত ও তৃষ্ণার্ত ঘোড়াকে পানি পান করানোর জন্য।

    ৫৩. ইমাম হোসেন ফোরাত নদী থেকে পানি অঞ্জলিতে নিয়েও কেন ফেলে দেন?

    উত্তর: শহীদ স্বজন ও শিশুদের অবর্ণনীয় তৃষ্ণার কথা মনে পড়ে যাওয়ায়।

    ৫৪. “জগৎ দেখুক, আমি কী অবস্থায় চলিলাম!”— উক্তিটি কার?

    উত্তর: ইমাম হোসেনের।

    ৫৫. “অস্ত্রই বল পরীক্ষার প্রধান উপকরণ!”— কথাটি কে বলেছিল?

    উত্তর: এজিদ পক্ষের যোদ্ধা আব্দুর রহমান।

    ৫৬. সীমারের ছুড়ে মারা বিষাক্ত তীরটি ইমাম হোসেনের শরীরের কোথায় বিদ্ধ হয়েছিল?

    উত্তর: পিঠে বিদ্ধ হয়ে ঘাড় ভেদ করে বের হয়েছিল।

    ৫৭. ইমাম হোসেনের গলায় খঞ্জর কাটার সময় অলৌকিকভাবে কী হচ্ছিল?

    উত্তর: খঞ্জরটি ভোঁতা হয়ে কাটছিল না।

    ৫৮. ইমাম হোসেনের গলায় খঞ্জর না কাটার মূল কারণ কী ছিল?

    উত্তর: সেখানে মহানবী (সা.)-এর পবিত্র চুম্বনের অলৌকিক স্পর্শ ছিল।

    ৫৯. সীমারের বুকের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী ছিল?

    উত্তর: সীমারের বুক ছিল পশমহীন বা লোমশূন্য।

    ৬০. সীমারের পশমহীন বুকের কথা কে আগেই ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন?

    উত্তর: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)।

    ৬১. “আমার মৃত্যু হতে পারে, কিন্তু সত্যের বিনাশ নেই”— কারবালার গল্পের মূল বার্তা কোনটি?

    উত্তর: সত্যের চিরন্তন বিজয় ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা।

    ৬২. ইমাম হোসেন শেষ মুহূর্তে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে উঠে কোথায় কিসের জন্য মন দিয়েছিলেন?

    উত্তর: অস্ত্র ত্যাগ করে সৃষ্টিকর্তার ধ্যানে ও সালাতে।

    ৬৩. ইমাম হোসেনের অশ্বটি কেন অবিরত জল ঝরাচ্ছিল?

    উত্তর: মনিবের নিশ্চিত শাহাদাত ও অবরুদ্ধ অবস্থা অনুভব করে ব্যথিত হয়ে।

    ৬৪. ইমাম হোসেন কাকে আগে আঘাত করতে অস্বীকার করেছিলেন?

    উত্তর: আব্দুর রহমানকে (বংশগত নীতি অনুযায়ী আগে আঘাত না করার কারণে)।

    ৬৫. কারবালার মাঠে ইমাম হোসেন ও তাঁর সঙ্গীরা কত দিন অন্ন-জলহীন ছিলেন?

    উত্তর: তিন দিন।

    ৬৬. এজিদ সৈন্যরা কেন কারবালায় ফোরাত নদী অবরুদ্ধ করেছিল?

    উত্তর: ইমাম হোসেনের শিবিরকে তৃষ্ণায় কাবু করার জন্য।

    ৬৭. ইমাম হোসেনের শেষ মুহূর্তের প্রার্থনায় কিসের জন্য দোয়া ছিল?

    উত্তর: উম্মতের মুক্তি ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য।

    ৬৮. সীমার যখন খঞ্জর নিয়ে ইমাম হোসেনের বুকের ওপর বসে, তখন ইমাম হোসেন কী করছিলেন?

    উত্তর: সৃষ্টিকর্তার জিকির ও ধ্যানে মগ্ন ছিলেন।

    ৬৯. ইমাম হোসেন এজিদ বাহিনীকে কী বলে ধিক্কার দিয়েছিলেন?

    উত্তর: অর্থলোভী, অন্ধ ও ভীরু পিশাচ।

    ৭০. ইমাম হোসেনের মৃত্যুর পর আকাশ ও প্রকৃতির অবস্থা কেমন হয়েছিল বলে বর্ণনা করা হয়েছে?

    উত্তর: বিষাদময়, অন্ধকার ও হাহাকারপূর্ণ।

    ৭১. কারবালার মাঠে কার কাসিদার বা কবিতার করুণ সুর ধ্বনিত হচ্ছিল?

    উত্তর: শোকাকুল হৃদয় ও বাতাসের।

    ৭২. আব্দুর রহমান যুদ্ধের ময়দানে ইমাম হোসেনের সামনে কীভাবে পরাজিত হন?

    উত্তর: কৌশল ও বীরত্বের কাছে মানসিকভাবে পরাস্ত হয়ে।

    ৭৩. ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাসের ভাষা কেমন?

    উত্তর: সাধু ভাষা ও ব্যাকরণসিদ্ধ অলংকারবহুল।

    আরও পড়ুন:  কারবালা প্রান্তর গল্পের মূলভাব: HSC বাংলা সাহিত্য পাঠ

    ৭৪. ইমাম হোসেন কারবালার মাঠে কতজন শত্রুর মুখোমুখি হয়েছিলেন?

    উত্তর: হাজার হাজার সশস্ত্র এজিদ সৈন্যের।

    ৭৫. ইমাম হোসেনের শাহাদাতের পর কারবালার প্রান্তর কিসে রূপ নেয়?

    উত্তর: এক শোকাবহ ও চিরন্তন ট্র্যাজেডিতে।

    ৭৬. ‘খঞ্জর’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: ছোট তলোয়ার বা ছুড়ি/কাটারি।

    ৭৭. ‘অশ্ব’ শব্দের সমার্থক শব্দ কী?

    উত্তর: ঘোড়া (বা তূড়ঙ্গ/ঘোটক)।

    ৭৮. ‘ফোরাত’ কী?

    উত্তর: একটি ঐতিহাসিক নদীর নাম (ইউফ্রেটিস)।

    ৭৯. ‘লৌহশর’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: লোহার তৈরি তীর।

    ৮০. ‘শিরস্ত্রাণ’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: মাথায় পরার হেলমেট বা ধাতব টুপি।

    ৮১. ‘বক্ষস্থল’ বলতে শরীরের কোন অংশকে বোঝানো হয়?

    উত্তর: বুক।

    ৮২. ‘পরশু’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: কুঠার বা পরশু অস্ত্র।

    ৮৩. ‘শাহাদাত’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: সত্যের পক্ষে জীবন বিসর্জন বা আত্মত্যাগ।

    ৮৪. ‘বিহ্বল’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: কাণ্ডজ্ঞানহীন বা অত্যাধিক আবেগে আকুল।

    ৮৫. ‘পাপাচারী’ শব্দটির বিপরীত শব্দ কী?

    উত্তর: পুণ্যবান বা সদাচারী।

    ৮৬. ‘অনাহারী’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: যে আহার বা খাবার পায়নি/উপবাসী।

    ৮৭. ‘আঞ্জলি’ বা ‘অঞ্জলি’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: দুই হাতের তালু একসাথে করে গঠিত পেয়ালা বা পাত্র।

    ৮৮. ‘সমর’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: যুদ্ধ বা সংগ্রাম।

    ৮৯. ‘অবমাননা’ শব্দের বিপরীত শব্দ কী?

    উত্তর: সম্মান বা মর্যাদা।

    ৯০. ‘তৃষ্ণা’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

    উত্তর: পিপাসা।

    ৯১. ‘ধরণী’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: পৃথিবী বা মাটি।

    ৯২. ‘পরাকাষ্ঠা’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: চরম সীমা বা পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন।

    ৯৩. ‘কাতর’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: ব্যাকুল বা ব্যথিত।

    ৯৪. ‘বর্ম’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: যুদ্ধক্ষেত্রে শরীর রক্ষার জন্য পরার ধাতব পোশাক বা সাঁজোয়া।

    ৯৫. ‘কূল’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: নদীর তীর বা পাড়।

    ৯৬. ‘নিঃসঙ্গ’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: সঙ্গীহীন বা একাকী।

    ৯৭. ‘ঘাতক’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: যে হত্যা করে বা হত্যাকারী।

    ৯৮. ‘আশ্রু’ শব্দের সমার্থক শব্দ কী?

    উত্তর: চোখের জল বা নয়নবারি।

    ৯৯. ‘পিশাচ’ শব্দের অর্থ কী?

    উত্তর: পেতাত্মা, নিষ্ঠুর বা দানবতুল্য ব্যক্তি।

    ১০০. ‘ট্র্যাজেডি’ শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?

    উত্তর: বিয়োগান্তক বা শোকাবহ ঘটনা।


    উপসংহার

    পরিশেষে বলা যায়, এইচএসসি (HSC) পরীক্ষায় ‘কারবালা-প্রান্তর’ গল্প থেকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য ও পূর্ণাঙ্গ নম্বর অর্জনের জন্য মূল পাঠ্যাংশের তথ্যভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত আবশ্যক । জ্ঞানমূলক (ক-নম্বর) এবং বহুনির্বাচনী (MCQ) অংশের সঠিক উত্তর কেবল সরাসরি নম্বর বাড়াতেই সাহায্য করে না, বরং প্রয়োগ ও উচ্চতর চিন্তনদক্ষতামূলক প্রশ্নের চমৎকার ভিত্তি গড়ে তোলে । এখানে সংকলিত প্রশ্ন ও উত্তরগুলো নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেমন কম সময়ে পুরো অধ্যায়ের ওপর পূর্ণ দখল আনতে পারবে, তেমনি মূল পরীক্ষার জন্য নিজেদের শতভাগ প্রস্তুত ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে পারবে ।

    Admin

    Moner Rong (মনের রঙ) একটি সৃজনশীল বাংলা ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আমরা জীবনবোধ, সাহিত্য এবং ভ্রমণের মেলবন্ধন ঘটানোর চেষ্টা করি । আমাদের পাঠকদের জন্য আমরা নিয়মিত মৌলিক কবিতা, হৃদয়স্পর্শী গল্প, জীবনমুখী মোটিভেশনাল আর্টিকেল এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের নিখুঁত ট্রাভেল গাইড শেয়ার করি । মানসম্মত কন্টেন্ট এবং সঠিক তথ্যের মাধ্যমে পাঠকদের মনের খোরাক জোগানোই আমাদের মূল লক্ষ্য । আপনি যদি সাহিত্যপ্রেমী হন বা নতুন কোনো ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তবে 'মনের রঙ' হতে পারে আপনার প্রতিদিনের সঙ্গী । আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।"
    1 mins

    Share with

    Right Menu Icon